
উক্ত সম্মেলন অনুষ্ঠানে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংগ্রামী জননেতা, র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি মহোদয়।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য, জনাবা, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম (শিউলি আজাদ) এমপি মহোদয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জনাব মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিবন্ধী ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক কেন্দ্রীয় নেতা, জনাব, আনোয়ার পারভেজ টিংকু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবী লীগের সভাপতি, জনাব এড,রোকমান হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জনাব, এড, মোঃ নাজমুল হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আবু হানিফ ও জনাবা রোকেয়া বেগম।

অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাবেক, সংসদ সদস্য ও সর্বধর্ম যোগ মন্ডলী কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক, জনাব, এডভোকেট, জিয়াউল হক মৃধা
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,
জনাবা, নাছরিন সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভুমি), সরাইল উপজেলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জনাব মোঃ এমরান হোসেন, সরাইল থানা অফিসার ইনচার্জ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সরাইল উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক, সভাপতি, জনাব, এড, আশরাফ উদ্দিন মনতু

স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও যোগমন্ডলী কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক জনাব, মোঃ শাহিনুর ইসলাম।
বক্তব্য রাখেন- নারী আসনের সাবেক এমপি, জনাবা, জোবেদা খাতুন পারূল, ত্রিপুরা রাজ্যসভার সাবেক, বিধায়ক শ্রী কৃষ্ণধন দাস,
সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব, এড.আব্দুর রাশেদ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি, জনাব, মোঃ রুবেল হোসাইন রুবেল ও সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, জনাব মোঃ শরিফ উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক, জনাব, ইশতিয়াক আহমেদ বাপ্পি,
ভোলাচং এর সভাপতি জনাব, প্রভাত কান্তি পাল, সরাইল উপজেলা সাবেক, শিক্ষক প্রমথ নাথ চক্রবর্তী, এড. মামুন কবির, শ্রীমতি শংকরি দত্ত, জয়দেব বর্মণ ও পরিমল দাস।


বক্তারা বলেন, এটা অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিলন মেলা। কোন ধরণের বৈষম্য নয়, পৃথিবীর সকল মানুষই এক আল্লাহর সৃষ্টি। গড, ইশ্বর, বিধাতা, ভগমান ও আল্লাহ বলতে সৃষ্টিকর্তাকেই বুঝায়।
ধর্মের ভিন্নতা থাকলেও সকলের রক্তই লাল। হিংসা বিদ্বেষ, অনিয়ম, দূর্নীতি, হত্যা, লুন্ঠন, শোষনমুক্ত সমাজ গঠন করে সকল মানুষকে শান্তিতে বসবাস করতে দেয়াই আনন্দ স্বামীর শিক্ষা ও আদর্শ।
আনন্দধামের জায়গা সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য বর্ধনে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।
সভায় বক্তারা আনন্দধামকে কেন্দ্র করে দূর্নীতিবাজ ও লুটেরাদের বিরূদ্ধে রূখে দাঁড়ানোর আহবান করেছেন। এ ছাড়া আনন্দধামের বেহাত হয়ে যাওয়া জায়গা/সমপত্তি পুর্ণ উদ্ধারে একটি কমিটি গঠন করে দ্রূত কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।


অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় করেন, মোঃ মনির হোসেন, কোরআন তেলওয়াত করেন, মোঃ সামছুদ্দিন মৃধা ও গীতাপাঠ করেন, অজয় দেব।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় আনন্দধামের পূণাঙ্গ কমিটি গঠন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে।
কালীকচ্ছের আনন্দধামে সম্মেলনে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,
সর্বধর্ম মিশন কালীকচ্ছ, নবীনগরের ভোলাচং, সাতমোড়া সহ দেশেরে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আনন্দ স্বামীর সহস্রাধিক ভক্তবৃন্দ ও দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ রাকিব,
প্রতিনিধি, দৈনিক ক্রাইম তালাশ,
সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, সরাইল উপজেলা শাখা।