
অরুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শেখ সাদী স্যারের নামে আত্মসাৎ এর সম্পূর্ণ অভিযোগ মিথ্যা বলেন, শেখ সাদী স্যার।
তিনি বলেন, একদল কুচক্রমহল স্কুলটি ধ্বংস করার জন্য ও আমাকে হেনস্থা করার জন্য আমার নামে মিথ্যা আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনেছে।
যার কোনো প্রমাণ নেই। তাদের এইসবের জন্য আমি স্কুল থেকে কোনো বেতন পাচ্ছি না। আমি যা কিছু করেছি স্কুলের স্বার্থে করেছি। আপরা দেখছেন ছাত্র / ছাত্রীদের জন্য একটি ভবন করে দেওয়া হয়েছে ও ব্যবসায়ীদের জন্য মার্কেট করে দেওয়া হয়েছে। এই খানে কোনো স্বার্থ ছিল না। আমার ব্যক্তিগত স্বার্থে কোনো কিছু করেনি। শুধু নিয়ম অনিয়মের বিষয় ছিল। যেইটার জন্য সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে।
সেইটা নিয়ে আমি কথা বলেছি, বেটট্রেস দেওয়া ও টেন্ডার দিয়ে কাজরা, এইটা কমিটির কাজ ছিল। কমিটি সেটা না করলে আমি একা প্রধান শিক্ষক হিসেবে করবো কি ভাবে? যার জন্য এইরকম অবস্থা হয়েছে।
অত্র স্কুলে আমি আসার পরে ছাত্র/ ছাত্রদের সংখ্যা অনেক গুণ বেয়েছে। পড়াশোনার মান অনেক বেয়েছে। সরাইল উপজেলা পর্যায়ে ২০২৩, ২০২২, ২০১৮, ২০১৬, ২০১২,২০১১, ও ২০১০ সালে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। ২০২৩ ও ২০১৬ সালে শেখ সাদী স্যার কে স্কুলের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।
অন্যান্য স্কুল থেকে পাশের হারো অনেক বেশি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন অন্যান্য স্কুল থেকে অনেক বেশি। যার জন্য এখন পর্যন্ত সরাইল উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ স্কুল হিসেবে রয়েছে।
স্কুলের মার্কেট ভবন ও একাডেমি ভবন, ব্যবসায়ীদেরকে ভিটি বরাদ্ধ থেকে বঞ্চিত করা, গাছ বিক্রি করা বিভিন্ন মিথ্যা আত্মসাৎ এর বিরুদ্ধে মৌখিক ও লিখিত ভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছি। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে পূনরায় তদন্ত করার জন্য দাবি জানাচ্ছি।
অরুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী ও অভিভাবক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা অনেকেই বলেন, শেখ সাদী স্যার একজন ভাল মানুষ তার বিরুদ্ধে আনিত সম্পূর্ণ অভিযোগ মিথ্যা আমরা তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং পূনরায় তদন্ত করে স্যারের বেতন পাওয়ার সুব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি।